1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
চীন সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে আশাশুনিতে সমন্বিত পানি ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত খাস জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ, শ্রীউলায় মানববন্ধন বর্তমান সরকার শিক্ষা-বান্ধব সরকার/ একটি শিক্ষিত জাতিই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যেতে পারে: এমপি দিপু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড়ে সেনাবাহিনীর অভিযান: সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রশ্ন, দুর্ভোগে ফুলবাড়ীবাসী ফুুলবাড়ীতে ফুল গাছ লাগাই স্লোগানে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্বোধন

ডাকসুতে প্রতিবন্ধী ক্ষমতায়ন বিষয়ক সম্পাদক পদ সৃষ্টিসহ ৮ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ছাত্রদলনেতার স্মারকলিপি প্রদান

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ১১৭ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :
ডাকসুতে প্রতিবন্ধী ক্ষমতায়ন বিষয়ক সম্পাদক পদ সৃষ্টিসহ ৮ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ছাত্রদলনেতার স্মারকলিপি প্রদান।

আজ ২২জুন, ২০২৫ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিমের নেতৃত্বে কমল মেডিএইড,ঢাবি’র উদ‍্যোগে প্রতিবন্ধকতার শিকার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য(প্রশাসন) ড.সায়মা হক বিদিশা এর নিকট ৮ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।দাবিগুলো যথাক্রমে-

১. ডাকসুতে প্রতিবন্ধী ক্ষমতায়ন বিষয়ক সম্পাদক পদ সৃষ্টির দাবি:
আগামী ডাকসু নির্বাচনে “Disability Empowerment Affairs Secretary” নামে একটি আলাদা পদ সৃষ্টি করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই পদ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যাগুলো সরাসরি নেতৃত্ব পর্যায়ে উপস্থাপন করতে পারবেন। এটি ক্যাম্পাসে তাদের অধিকার নিশ্চিতকরণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব গঠনে সহায়ক হবে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিবন্ধীদের প্রতিনিধি থাকবে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রবেশগম্যতা নিশ্চিতকরণ:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় সকল ইনস্টিটিউট, হল ও ফ্যাকাল্টিতে র‍্যাম্প, লিফটে ভয়েস রিকগনিশনসহ অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা আবশ্যক। এটি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ক্লাস, গ্রন্থাগার ও প্রশাসনিক ভবনে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল নিশ্চিত করবে। বর্তমানে অনেক ভবনে প্রবেশই তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, যা তাদের শিক্ষা গ্রহণের অধিকার বাধাগ্রস্ত করে। তাই সকল জায়গায় পর্যাপ্ত প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

৩. ড. মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের সেবা:
মেডিকেল সেন্টারে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীরা প্রাথমিক চিকিৎসা পেতে অনেক কষ্ট করেন কারণ ভবনে উঠানামা করা কঠিন। এজন্য নিচতলাতেই তাদের জন্য আলাদা সেবা প্রদান নিশ্চিত করা উচিত। এতে তারা জরুরি অবস্থায় দ্রুত ও সম্মানজনকভাবে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এটি একটি মানবিক এবং মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার অধিকার।

৪. প্রশাসনিক ভবনে প্রতিবন্ধীদের সেবা নিশ্চিত করা:
প্রশাসনিক ভবনে প্রতিবন্ধীদের জন্য নিচতলায় একটি আলাদা সেবা কেন্দ্র (Service Cell) স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এতে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী থাকবেন যিনি তাদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করবেন। এটি প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ সহজ করবে। এর ফলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অবহেলিত না থেকে সবার মতই সুবিধা পাবেন।

৫. উপযুক্ত ওয়াশরুম সুবিধা নিশ্চিত করা:
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত ও নিরাপদ ওয়াশরুম ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি। সাধারণ ওয়াশরুম ব্যবহারে তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হন, যা স্বাস্থ্য ও মর্যাদার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত ওয়াশরুম তাদের জন্য বাধামুক্ত পরিবেশ তৈরি করবে। এটি একজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মৌলিক অধিকার।

৬. সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজন:
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথে কেমন ব্যবহার করা উচিত এবং তাদের যন্ত্রপাতি (যেমন হুইলচেয়ার, সাদাছড়ি) ব্যবহারের নিয়ম জানানো অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সচেতনতামূলক সেমিনার আয়োজন করা যেতে পারে। এতে ভুল ধারণা দূর হবে এবং একটি সহানুভূতিশীল ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। এটি সহনশীলতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৭. সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরিচালিত ক্লাব গঠন ও অফিস রুম প্রদান:
প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো সংগঠন গঠনে NGO হস্তক্ষেপ না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ক্লাব পরিচালনা করা বেশি কার্যকর। এতে করে তারা নিজেরাই নিজেদের নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পাবে। এই ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য টিএসসিতে একটি নির্দিষ্ট অফিস রুম প্রদান করা প্রয়োজন। এটি তাদের সংগঠিত কার্যক্রম পরিচালনায় স্থায়ী ও স্বতন্ত্র জায়গা নিশ্চিত করবে।

৮. স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং ও উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা:
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে তারা চাকরি ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে অধিক সক্ষম হবে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় প্রবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক ও একাডেমিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা উচিত। এতে তাদের শিক্ষা ও কর্মজীবনে সমান অংশগ্রহণ সম্ভব হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com