বিশেষ প্রতিবেদন :
২০১৮ সালের কুখ্যাত রাতের নির্বাচন আর ২০২৪ সালের ‘ভাই-ভাই’ নির্বাচনে প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে শেখ হাসিনা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। সেই একই প্রশাসনের অধীনে আগামি জাতীয় নির্বাচন হলে সুষ্ঠু ভোটের কোনো সম্ভাবনাই নেই। তাই প্রশাসনে পরিবর্তন এনে তাকে নির্বাচনের উপযোগী ও নিরপেক্ষ করা এখন সময়ের দাবি। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস সাহেবকে বলতে চাই, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে এই ব্যবস্থা আপনাকে নিতে হবে।
এছাড়াও আমরা লক্ষ্য করেছি, জামায়াতের আমির সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন— ডাকসু, জাকসুর ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচনও একই রকম হবে। আমি বলতে চাই, তাহলে আপনারা নির্বাচনে আসুন, জনগণের পাশে দাঁড়ান। প্রশ্ন হচ্ছে— পিআর ছাড়া নির্বাচনে আসতে ভয় পাচ্ছেন কেন? জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামার সাহস রাখলে ভয়ের কিছু নেই।
জাতীয়তাবাদী শক্তি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে— আগামী নির্বাচন হবে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। সেকারণেই একটি নিরপেক্ষ সরকার ও প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়।