1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
আশাশুনিতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জন গ্রেফতার, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা পূর্বের বিবাহ গোপন করায় যৌতুক মামলায় শিক্ষক কারাগারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে সেমিনার; প্রধান অতিথি সিএমপি কমিশনার সার্বভৌমত্ব ও দেশমাতৃকার সুরক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শপথ নিলেন নবীন নৌ কর্মকর্তারা তোমরা সারাবিশ্বে বাংলাদেশের এ্যাম্বাসেডর হবে- তারেক রহমান ৫১ কোটি টাকায় সংস্কারের পাঁচ দিনেই বন্ধ বড়পুকুরিয়ার ৩য় ইউনিট সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নকল দুধ তৈরির জেলিসহ ট্রাক জব্দ বম সম্প্রদায়ের অসুস্থ নারীকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে উদ্ধার

মালয়েশিয়া প্রবাসীর ছেলেকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিঃ চক্রের ০২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ২২ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :

মালয়েশিয়া প্রবাসীর ছেলেকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে অপহরণকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- (০১) আরিফুল (৩০), পিতা- মো. শহিদুল্লা, (০২) সানি (২২), পিতা- মো. কামাল মিয়া, উভয় সাং- গ্রাম শফিরকান্দি (পূর্বপাড়া), থানা- বাঞ্চারামপুর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

সিআইডির ঢাকা মেট্রো-উত্তর বিভাগের একটি আভিযানিক দল গত ০৯/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানাধীন শফিরকান্দি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম মানিক (ছদ্ম নাম) এর পিতা দীর্ঘ ৪-৫ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিয়মিত অর্থ পাঠাতেন। গত ১১/০১/২০২৬ খ্রি. বিকেল আনুমানিক ০৫:০০ ঘটিকায় ভিকটিমের মোবাইল ফোনে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল করে জানানো হয় যে, তার পিতা মালয়েশিয়া থেকে ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। সেই টাকা গ্রহণের জন্য তাকে দক্ষিণখান থানাধীন জয়নাল মার্কেট এলাকায় যেতে বলা হয়। মানিক সরল বিশ্বাসে সেখানে গেলে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা অপহরণকারীরা তাকে কৌশলে একটি প্রাইভেটকারে তুলে মিরপুর পল্লবীর একটি ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং তার কাছে থাকা নগদ ২০ হাজার ৫০০ টাকা ও বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে অপহরণকারীরা ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেয়।
অপহরণের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোরদার অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়। পুলিশি তৎপরতার বিষয়টি টের পেয়ে অপহরণকারীরা গত ১২/০১/২০২৬ খ্রি. গভীর রাতে ভিকটিমকে ডিএমপির আগারগাঁও থানাধীন শেরে-ই বাংলা নগর এলাকায় একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজিতে উঠিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে দক্ষিণখান (ডিএমপি) থানার মামলা নং-১৮, তাং-১৫/০১/২০২৬ খ্রি., ধারা-৩৬৫/৩২৩/৩৪২/৩৮৫/৩৮৬/ ৫০৬/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্তভার পাওয়ার পর সিআইডি গভীর গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সূত্র ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে তারা আরিফুল ও সানির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় এই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তদন্তে জানা যায়, তারা অনেক বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকতেন। এই ঘটনার কয়েকদিন আগে পরিকল্পনা করে বাংলাদেশে আসেন এবং এই অপরাধ সংঘটনের পর পর আবার মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, এই চক্রটি গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় একই ধরনের অপহরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মুক্তিপণ আদায়ের অপরাধ করে আসছিল। সানির বিরুদ্ধে বাঞ্চারামপুর থানায় একটি পুরনো মামলাও রয়েছে (মামলা নং-১৪, তারিখ ১৮/১০/২০২০, ধারা-১৪৩/৪৪৮/১৮৬/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড)।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিদ্বয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের স্বার্থে তাদেরকে পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণে করা হয়েছে ।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রো-উত্তর বিভাগ। অপরাধের সঙ্গে জড়িত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com