বিশেষ প্রতিবেদন :
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিকার বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে মোকামতলা উপজেলা গঠনের প্রস্তাব। এ খবরে পুরো মোকামতলা অঞ্চলজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় জনগণ এই সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক অর্জন এবং এলাকার উন্নয়নের নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়দের মতে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্হিত মোকামতলাকে ইউনিয়নকে আরো ৪ টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে মোকামতলা উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক সেবাসহ বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম এখন আরও দ্রুত ও সহজভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।
সরকার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার বৈঠকে মোকামতলা উপজেলা গঠনের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেন, মোকামতলাবাসীর বহুদিনের প্রাণের দাবি ছিল একটি স্বতন্ত্র উপজেলা। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিলো। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি মোকামতলাবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি আরও বলেন, উপজেলা বাস্তবায়িত হলে মোকামতলা হবে উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। এতে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মোকামতলা উপজেলা গঠনের ফলে এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগও বাড়বে।
এদিকে এই সুখবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপিকে ধন্যবাদ জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট, শুভেচ্ছাবার্তা ও অভিনন্দন ছড়িয়ে পড়েছে।
Leave a Reply