বিশেষ প্রতিবেদন :
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ভূমিসেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে শিগগিরই ‘ল্যান্ড কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস’ চালু করা হবে।
তিনি বলেন, ভূমি সংক্রান্ত অধিকাংশ লেনদেন ইতোমধ্যেই ই-পেমেন্ট ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। পাশাপাশি কৃষিজমি ও বনভূমি সংরক্ষণে ডিজিটাল ল্যান্ড জোনিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমির শ্রেণি অনুযায়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আজ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ভূমিসেবা মেলা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, নতুন ল্যান্ড কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে ভূমিসেবা নিয়ে যে কোনো অভিযোগ অনলাইনে করা যাবে। অভিযোগ জমা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেদনকারী এসএমএস-এর মাধ্যমে প্রাপ্তিস্বীকার বার্তা পাবেন। পরবর্তীতে তদন্তের অগ্রগতি ও চূড়ান্ত ফলাফলও তাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতে ভূমিসেবার মান উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, জনগণ যেন সরকারি দপ্তরে এসে সেবার মান ও আন্তরিকতা অনুভব করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে। জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব হলো সম্মান, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের সেবা প্রদান করা।
এ সময় ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ১৯৩টি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নামমাত্র ফি দিয়ে অনলাইন ভূমিসেবা গ্রহণ করতে পারছেন। এ সব কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও ডিজিটাল সেবার আওতায় আসছে।
ভূমি খাতে দুর্নীতি কমানো প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, সেবা সহজীকরণ ও দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে ভূমিসেবাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করা হবে।