বিশেষ সংবাদ :
(নজরুল ইসলাম লিখন, রূপগঞ্জ)
সুদুর চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্কের কারনে। এখন বিয়ে হচ্ছে না বলে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয় চাঞ্চল্য সৃস্টি হয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌর এলাকায়। মানুষজন এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনায় মশগুল রয়েছেন।
প্রেমের টানে রূপগঞ্জে চীনা যুবক, বিয়েতে দেরি হওয়ায় গুঞ্জন, নারায়ণগঞ্জের মেয়ে সুমাইয়া বেগমের সঙ্গে চীনা নাগরিক হুয়াং ঝিলিন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে পরিচয়। এরপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক।
সেই সম্পর্কের টানে সুদূর চীন থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছুটে এসেছেন হুয়াং ঝিলিন (২৯) নামের এক যুবক।
তবে বিপাকে পড়েছেন ঝিলিন। প্রায় এক সপ্তাহ হতে চললেও এখনো বিয়ে না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এ কারণে অন্য এলাকায় সরিয়ে রাখা হয়েছে তাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার খাপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া বেগমের সঙ্গে এক মাস আগে চীনের জিয়াংশি প্রদেশের বাসিন্দা হুয়াং ঝিলিনের উইচ্যাটে পরিচয় হয়। এরপর নিয়মিত তাদের মধ্যে কথাবার্তা চলতে থাকে। একপর্যায়ে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) চীন থেকে রূপগঞ্জ ছুটে আসেন ঝিলিন।
প্রথমে ওই বিদেশি নাগরিক সুমাইয়াদের একই এলাকার সেলিম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া বাসায় ওঠেন। তবে উৎসুক জনতার উপস্থিতি এড়াতে অজ্ঞাত স্থানে সুমাইয়া ও ঝিলিনকে সরিয়ে রাখেন পরিবারের লোকজন।
সূত্র জানায়, দুজনের ভাষা ভিন্ন হলেও তাদের সম্পর্কের পথে এটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ট্রান্সলেটর অ্যাপের সাহায্যে একজনের কথা অন্যজনের ভাষায় অনুবাদ করে যোগাযোগ করছেন তারা।
কাঞ্চন খাপাড়ার বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, ‘চীন থেকে আসা ওই যুবক বিয়ে ছাড়াই সুমাইয়ার বাড়িতে অবস্থান নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। পরে তারা সুমাইয়াকে জাঙ্গীর ফকিরবাড়ি এলাকায় পাঠিয়ে দেন।
সুমাইয়ার বাবা শরীফ ফোনে জানান, বিয়ে পড়াতে আপত্তি নেই। তবে ছেলের পরিবারের সম্মতি নেওয়া ও নিজ পরিবারের প্রস্তুতি নিতেই দেরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। দ্রুতই আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।