1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে VEON-এর চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোঃ আফজাল হোসেন সানা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: বিরোধীদলীয় এমপিদের অনুকূলে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ চবি আইকিউএসির উদ্যোগে নবাগত শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নমূলক পাঁচদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু তারেক রহমানের আয়োজনে জাতীয় সংসদ ভবনে মধ্যাহ্নভোজ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং দর্শনার্থীরা সারা দেশের ন্যায় বেলকুচিতেও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী রূপগঞ্জে সরকারি খাল-হালট উদ্ধার ও বসতভিটা রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ঢাকা সিটি কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, অনিশ্চয়তায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৮ বার ভিউ

অনির্দিষ্টকালের জন্য সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষাজীবন বিঘ্নিত হচ্ছে ঢাকা সিটি কলেজের প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থীর। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও হতাশায় পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, আগের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বেদার উদ্দিনকে জোর করে পদত্যাগ করিয়ে অবৈধভাবে পদ দখল করেন অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে ‘অবৈধভাবে’ নিজেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক ও ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ পদে মোখলেছুর রহমান নিয়োগ নিয়েছেন।
বিশেষ প্রতিবেদন :
বর্তমান অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিল শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনায় কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে ১৮ দিন (শুক্রবার ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত)। শিগগিরই কলেজ খুলবে এমন কোনো নিশ্চয়তাও নেই।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আন্দোলনের কারণে ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। তবে অধ্যক্ষ নেয়ামুল এখনও পদত্যাগ করেনি।

শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৮ অক্টোবর পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করে অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণ, বৈধ অধ্যক্ষকে ফিরিয়ে আনাসহ কয়েক দফা দাবিতে প্রতিষ্ঠানের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। গভর্নিং বডি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা। তবে তারা ক্লাসে ফেরেননি এবং পরীক্ষায়ও অংশ নেননি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাস ও পরীক্ষাতে অংশ নেবে না বলে জানান।

এভাবে আন্দোলন ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গড়ালে ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়ে কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। নোটিশে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা জানানো হয়।

নেপথ্যের ঘটনা

অভিযোগ উঠেছে, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের পদ দখল করতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের নিয়ে আসেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক। অধ্যক্ষ মো. বেদার উদ্দিনকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নিয়ে ওই দিনই সন্ধ্যায় (৭ আগস্ট) নেয়ামুল হক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব বুঝে নেন অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক। কলেজের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মোখলেছুর রহমানকে নিয়োগ দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেই নেয়ামুল হক নোটিশ জারি করেন পরদিন ৮ আগস্ট জরুরি সভা করার জন্য। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে অধ্যাপক কাজী নেয়ামুল হক গত ১১ আগস্ট অধ্যক্ষ এবং ‘কোনো কারণ ছাড়াই’ ছয় শিক্ষককে অফিস আদেশ দিয়ে কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে ৮ আগস্ট ‘শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ’ হওয়ার কারণ দেখিয়ে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের কাছে এক মাসের ছুটির আবেদন করেন অধ্যক্ষ বেদার উদ্দিন।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী

জোর করে পদত্যাগ করানোর বিষয়ে মো. বেদার উদ্দিন হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের কারেন। এ ব্যাপারে মো. বেদার উদ্দিন বলেন, ‘আমি মনে করি আমার সঙ্গে যা হয়েছে তা অন্যায় হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, হাইকোর্ট আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন। আমি আশা করছি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই কোর্টের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

সিটি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নিং বডির সভাপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘উচ্চ আদালনের আদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্টরা আইনগতভাবে বাস্তবায়ন করবেন। আরেকটি বিষয় হচ্ছে—শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজে রেগুলার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু এই নিয়োগ দিতে তো সময় লাগবে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগে কোনোভাবে একজন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ করার। কিন্তু তারা (শিক্ষার্থী) কোনোভাবেই মানছে না। নিয়োগ দেওয়া সময়সপেক্ষ ব্যাপার। এখন গভর্নিং বডি নিয়ে আমরা বসবো। দুই- একদিনের মধ্যে বসে সিদ্ধান্ত নেবো।

শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ, এখন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কী বলবেন– জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপাতত অনলাইনে ক্লাস নেওয়া যায় কিনা সে আলোচনা করবো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com