1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা স্বচ্ছতার সঙ্গে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নিকার বৈঠকে অনুমোদন: মোকামতলা উপজেলা গঠনে উচ্ছ্বসিত জনপদ নিকার বৈঠকে অনুমোদন: বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনে আনন্দের জোয়ার শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে খাল খনন হারানো এডমিট কার্ড উদ্ধার করে এসএসসি পরীক্ষার্থীর স্বপ্ন বাঁচালো সিএমপির ট্রাফিক উত্তর বিভাগ সংবেদনশীল কল ডিটেইলস ও এনআইডি তথ্য বিক্রির অভিযোগে অ্যাপ ডেভেলপারকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি উত্তরাঞ্চলের আকাশে নতুন স্বপ্ন: বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও অত্যাধুনিক বিমানঘাঁটির কার্যক্রম শুরু উজবেকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনকারী ও ‘গেস্টরুম-গণরুম’ কালচারের সাথে জড়িতদের বিচার এর দাবি করেছে ছাত্রদল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ফেনী জেলার বন্যা পরিস্থিতি র উন্নতি হয়েছে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৯৭ বার ভিউ
oppo_0

বিশেষ সংবাদ :
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বন্যা কবলিত এলাকা। নিম্নাঞ্চল ছাড়া সবকটি এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। তবে বন্যা কবলিত অনেক এলাকায় খাদ্য, নিরাপদ পানির সংকট ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বানভাসি মানুষের ভোগান্তি এখনও কমেনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যায় প্লাবিত হওয়া পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার কোথাও কোথাও এখনও পানি রয়েছে। সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় ট্রলি ও ট্রাকে করে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে মানুষ। দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে উপজেলায় বন্যার পানি কমলেও কিছু স্থানে মানুষজন এখনও পানিবন্দি রয়েছে। এ ছাড়া সোনাগাজী ও ফেনী সদর উপজেলার কিছু এলাকায় কোথাও হাঁটু পানি আবার কোথাও কোমর পানি রয়েছে।

জানা গেছে, ফেনী জেলায় বন্যায় জেলায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারমধ্যে দেড়লাখ মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে করে খাবার পাঠানো হচ্ছে। জেলায় একটি এবং ৬ উপজেলায় ৬টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি সাতটি হাসপাতালে মেডিকেল ক্যাম্প চালু রয়েছে।

বন্যা কবলিত এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, পানি ওঠার সময় তো একবারেই উঠে গেছে, কিন্তু এখন ধীরে ধীরে নামছে। যদিও ঘরে এখনও কোমর পরিমাণ পানি, কিন্তু তারপরেও আস্তে আস্তে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে।

আরেক নারী বলেন, ‘হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ে। একটা জামা পরে বের হইছি, কিছুই নিতে পারি নাই। আমাদের কোনো কুল নাই। শুধু ভাসছি আর ভাসছি আমরা।’
তথ্য সূত্র -ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com