1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে- তারেক রহমান পাইকগাছায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার; সাতক্ষীরা থেকে চোর আটক রূপগঞ্জে মাজারের উরশে ‘তৌহিদী জনতা’র বাধা, ভক্তদের প্রতিরোধ রূপগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, ভাসুরের বিরুদ্ধ থানায় মামলা চবিতে ‘SZHMT শ্রেষ্ঠ সুফি গবেষক পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহতদেরও গেজেটভুক্ত করা প্রয়োজন – আসাদুল হাবিব দুলু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে VEON-এর চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোঃ আফজাল হোসেন সানা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: বিরোধীদলীয় এমপিদের অনুকূলে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ

ফেনী জেলার বন্যা পরিস্থিতি র উন্নতি হয়েছে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৩৪ বার ভিউ
oppo_0

বিশেষ সংবাদ :
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বন্যা কবলিত এলাকা। নিম্নাঞ্চল ছাড়া সবকটি এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। তবে বন্যা কবলিত অনেক এলাকায় খাদ্য, নিরাপদ পানির সংকট ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বানভাসি মানুষের ভোগান্তি এখনও কমেনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যায় প্লাবিত হওয়া পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার কোথাও কোথাও এখনও পানি রয়েছে। সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় ট্রলি ও ট্রাকে করে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে মানুষ। দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে উপজেলায় বন্যার পানি কমলেও কিছু স্থানে মানুষজন এখনও পানিবন্দি রয়েছে। এ ছাড়া সোনাগাজী ও ফেনী সদর উপজেলার কিছু এলাকায় কোথাও হাঁটু পানি আবার কোথাও কোমর পানি রয়েছে।

জানা গেছে, ফেনী জেলায় বন্যায় জেলায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারমধ্যে দেড়লাখ মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে করে খাবার পাঠানো হচ্ছে। জেলায় একটি এবং ৬ উপজেলায় ৬টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি সাতটি হাসপাতালে মেডিকেল ক্যাম্প চালু রয়েছে।

বন্যা কবলিত এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, পানি ওঠার সময় তো একবারেই উঠে গেছে, কিন্তু এখন ধীরে ধীরে নামছে। যদিও ঘরে এখনও কোমর পরিমাণ পানি, কিন্তু তারপরেও আস্তে আস্তে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে।

আরেক নারী বলেন, ‘হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ে। একটা জামা পরে বের হইছি, কিছুই নিতে পারি নাই। আমাদের কোনো কুল নাই। শুধু ভাসছি আর ভাসছি আমরা।’
তথ্য সূত্র -ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com