1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরা আশাশুনির বুধহাটা বাজারে মোবাইল কোর্টে মিষ্টির দোকান সহ তেলের মিল মালিককে ৪৫০০ টাকা জরিমানা বেলকুচিতে রাজাপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার রাজশাহী মহানগরীর সকল থানার বিট অফিসার (সাব-ইন্সপেক্টর)দের সাথে আরএমপি পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের বিট পুলিশিং পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে আন্ডার পাসের দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভ //দীর্ঘ যানজট ফুলবাড়ীতে মাদকের ছড়াছড়ি, যুবসমাজ জড়িয়ে পড়েছে মধ্যপাড়া পাথর খনি শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত সন্তানদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান জলপাইতলী ও অচিন্তপুর সীমান্তে বিজিবি চোরাচালান অভিযান চালিয়ে ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকার মাদক আটক হারিয়ে যাচ্ছে কুলু সম্প্রদায়, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কুলু সম্প্রদায় বিলুপ্তপ্রায় ঃ পেশা বদলাচ্ছেন অনেকে বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন গণমুখী ও বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞের ১০টি দিক বালিয়াকান্দিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

বড়পুকুরিয়ায় এলাকায় সম্প্রসারের আগেই কৃষি জমিতে গড়ে উঠেছে শতশত বহুতল ভবন, ক্ষতিপূরণের আশায় গড়ে উঠছে ‘ভুতুড়ে’ স্থাপনা॥

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪২ বার ভিউ

বিশেষ সংবাদ :

(মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি)

দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সম্প্রসারণের আগেই দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ উর্বর কৃষিজমি ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে শতশত বহুতল ভবন। অভিযোগ উঠেছে, অধিক ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এসব ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে মধ্য বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে খনির অন্তত ২২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা লুটপাটে দূনীতি দমন কমিশনে ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও দূর্নীতি দমন কমিশন এখন পর্যন্ত মামলা নিষ্পত্তি করেন নি। অনেকে টাকার বিনিময়ে বেরিয়ে আসছেন মামলা থেকে। খনির কর্মকর্তারা বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিটি নিজের পয়ত্রিক সম্পত্তি করেন। প্রতিবছর কয়লার প্রফিট বোনাস গ্রহণ করছেন। অথচ খনি এলাকার মানুষ বাড়ী ঘর ও জায়গা জমি হারিয়ে পথে বসেছে।

সরেজমিনে পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের বাঁশপুকুর, কাজীপাড়া ও চৌহাটি মৌজায় দেখা যায়, একসময় যেখানে ধান, গম ও ভুট্টার আবাদ হতো, সেখানে এখন সারি সারি তিন ও চারতলা ভবন দাঁড়িয়ে আছে। অধিকাংশ ভবনেই কোনো বসবাস নেই। বিদ্যুৎ, পাকা সড়ক, ড্রেনেজ বা অন্যান্য নাগরিক সুবিধাও নেই। অনেক ভবনের গেটে ঝুলছে তালা। স্থানীয়দের ভাষায় এগুলো এখন ‘ভুতুড়ে বাড়ি’।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) খনি সম্প্রসারণের জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণের নীতিগত অনুমোদন পাওয়ার পরই ক্ষতিপূরণের আশায় কৃষিজমিতে দ্রুত বহুতল ভবন নির্মাণ শুরু হয়। এতে খনির কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় দালালচক্র ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।

উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক জরিপে খনির অন্তত ২২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কেউ বেনামে, আবার কেউ দালালের মাধ্যমে এসব ভবনে বিনিয়োগ করেছেন।তাছাড়া অভিযোগ উঠেছে, একই ব্যাক্তিরা বারবার অধিগ্রহণের টাকা গ্রহন করছে।

তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অধিকাংশ ভবনই অনুমোদনহীন এবং বিল্ডিং কোড না মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার জমির খাজনা গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, উর্বর কৃষিজমিতে এভাবে অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহ আলম বলেছেন, তদন্তে যদি কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগত স্বার্থে ভবন নির্মাণে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অধিগ্রহণের আগেই যারা এভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য মোটেও সৎ নয়।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন,জমি অধিগ্রহণ করতে হলে ইতিপূর্বে যে মৌজা গুলো আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেই মৌজা গুলো সহ জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ সরাসরি প্রকৃত ভূমির মালিকের হাতে দিতে হবে। পাশাপাশি ভূমি হারানো পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান এবং স্বচ্ছ ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। কিন্তু তা না করে খনি কর্তৃপক্ষ টালবাহান শুরু করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com