বিশেষ সংবাদ :
(মনজুরুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি)
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ২ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মোঃ আলী আশরাফ। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।
মোঃ আলী আশরাফ রাজাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বেলকুচি উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান। রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন তিনি। বিএনপির প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও আনুগত্যের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে পরিচিত।
রাজনীতির পাশাপাশি আলী আশরাফ একজন সুপরিচিত পশু চিকিৎসক, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হিসেবে স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিত। পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার চেষ্টা করে আসছেন তিনি।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে রাজাপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আলী আশরাফ। তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালনে সহায়তা বৃদ্ধি, তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করা।
তিনি মনে করেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে রাজাপুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব।
আলী আশরাফ বলেন, “দল আমাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিলে এবং রাজাপুর ইউনিয়নের জনগণ আমাকে তাদের ভোটে নির্বাচিত করলে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবা করতে চাই। আমার লক্ষ্য হবে দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং রাজাপুরকে একটি উন্নত, আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সামনে রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চান তিনি। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান।
স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে চান আলী আশরাফ। এখন দলীয় মনোনয়ন এবং শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।