1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
দেশ গড়ার প্রত্যয়ে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা বলেন, তাই করেন; যার প্রমাণ কৃষক কার্ড ডবলমুরিং থানা থেকে লুটকৃত ০১টি তরাশ পিস্তলসহ আসামী গ্রেফতার প্রসঙ্গে পহেলা বৈশাখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বাণী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড প্রতারণা চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইড Aid to Good Investigation Course এর ১১৫ তম ব্যাচের শুভ উদ্বোধন স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড ম্যাচকে ঘিরে সিএমপি’তে “নিরাপত্তা সমন্বয় সভা” অনুষ্ঠিত

দেশ গড়ার প্রত্যয়ে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৪ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :

চবিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ।

দেশ গড়ার প্রত্যয়ে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি। তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে যাতে এ দেশে আবার কোনো অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কেউ কায়েম করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জারুলতায় আয়োজিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির এসব কথা বলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনার যে আকাঙ্খা ছিল, আজকের অনুষ্ঠানে এসে সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আয়োজন দেখে মনে হয়েছে আমরা বহুলাংশে সফল হয়েছি। আজকে চট্টগ্রাম শহরে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যে প্রাণচাঞ্চল্য, উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং সৌহার্দ্য দেখেছি, সম্পীতির মনোভাব দেখেছি—এটাতেই মনে হয়েছে, আমাদের সব কষ্ট সফল হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ দেশ আমাদের কারো একার না। এ দেশ ১৮ কোটি বাংলাদেশীর দেশ। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি রাজনৈতিক দর্শন বাংলাদেশীদের দিয়েছিল, এটার উদ্দেশ্য ছিল সকল বাংলাদেশীকে একটি প্ল্যার্টফর্মে নিয়ে আসা। এজন্য তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদ ধারণা দিয়েছিলেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক তাঁর ৩১ দফায় রংধনু জাতি গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন। আজকে যে রংধনু জাতি গঠনের প্রত্যয় ছিল সেটি আজকে আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণায় কোণায় দেখতে পাচ্ছি। সকল জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষ এটাকে ধারণ করেছে। এটাতেই আমি আশাবাদী ভবিষ্যৎ যে বাংলাদেশ হবে সেটা হবে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। সম্প্রীতির মাধ্যমে সৌহার্দ্যের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা এ দেশকে কাঙ্খিত উন্মতি এবং উন্নতির পথে নিয়ে যেতে পারবো।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের সমস্যার কথা উল্লেখ করে সকল সমস্যা সমাধান করার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সব সময় সরব থেকে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন৷ স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে শিক্ষার্থীদের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিবেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, তারেক রহমানের সরকার কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছে না। সকল অপরাধ দমনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছি। চবি ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী যাতে নির্বিঘ্নে পাঠদান ও পাঠগ্রহণ করতে পারে সে ব্যাপারে নজর থাকবে। তিনি বলেন, আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জানাজায় অংশ নিতে পারিনি কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, এ জানাজা মহীয়সী এ নারীর কর্মজীবনের সাফল্য। প্রায় এক কোটি মানুষ অংশ নিয়েছে জানাজায়। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ, দেশের সকল গণতান্ত্রিক গণআন্দোলন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। সবশেষে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

উদ্বোধক ও প্রধান বক্তার বক্তব্যে চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, আজকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সবাইকে পহেলা বৈশাখের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। মাননীয় উপাচার্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি ৭১ এর বীর শহীদদের, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করেন। আহতদের গভীর সমবেদনা জানান। মাননীয় উপাচার্য প্রতিমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ২০১৭ সালের পর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ডিপিপি আসেনি৷ যার কারণে দীর্ঘদিন আমাদের ক্যাম্পাসে আবাসন বা ভবন গড়ে উঠেনি। এছাড়া শাটলের সমস্যার কথা উল্লেখ করেন মাননীয় উপাচার্য। মাননীয় উপাচার্য পহেলা বৈশাখ উদযাপনে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক, সকল সদস্য, সকল উপ-কমিটির সদস্যবৃন্দকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্প্রীতির বন্ধন। এদিনে আমরা জাতি, ধর্ম, বর্ণ ভুলে মিলেমিশে বসবাস করার প্রত্যয় নিয়ে উৎসবে মেতে উঠি। তিনি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দৃশ্য আকর্ষণ করে বলেন, শিক্ষাখাতে আরও বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্য ও অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি। সবাইকে ধন্যবাদ জানান উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদের মধ্যে যত সমস্যা রয়েছে, সব সরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি প্রধান অতিথিকে ক্যাম্পাসে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে নতুন বাংলাদেশে দারুণভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে শেখায়। সকলের প্রচেষ্টায় দারুণভাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে। তিনি চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান। তিনি চবি পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির সকল সদস্যসহ অনুষ্ঠান আয়োজক, উপ-কমিটির সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ৭১ এর বীর শহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। এছাড়া ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদদের স্মরণ করেন এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান।

চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব ও চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।

“এসো প্রাণের উৎসবে, জাগো নব আনন্দে” প্রতিপাদ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বাঙালির শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলা নববর্ষ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বৈশাখী শোভাযাত্রা, আলোচনা পর্ব, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ, নাগরদোলা, বলি খেলা, বউচি খেলা ও কাবাডি খেলা।

এছাড়া দিনব্যাপী বৈশাখী ও বিশেষ উদ্যােক্তা মেলা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় মাননীয় উপাচার্যসহ অতিথিবৃন্দ উদ্যােক্তা মেলা উদ্বোধন করেন। সকাল ১০.৩০টায় চবি স্মরণ চত্বর থেকে বৈশাখী উৎসবের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাটা পাহাড়, শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ করে চবি জারুলতলায় মূল মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এরপর মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা সহকারী পরিচালক তাহমিদা খানম। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এছাড়া সকল শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন চবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন, পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন সংস্কৃত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাজপতি দাশ, পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন পালি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব শাসনানন্দ বড়ুয়া রুপন এবং পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিয়াংকা পিংকি দারিং। অনুষ্ঠানে অতিথিদের সম্মননা ক্রেস্ট ও বৈশাখী উপহার প্রদান করা হয়। এছাড়া ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

সবশেষে উপাচার্যসহ অতিথিবৃন্দ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী আয়োজনসমূহে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠানমালায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, অনুষদসমূহের ডিন, রেজিস্ট্রার, হলসমূহের প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি ইনস্টিটিউটসমূহ ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টর, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্র পরিচালক, চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক, আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির সদস্যবৃন্দ, সকল উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিসহ সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com