1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫০
সংবাদ শিরোনাম:
৭ই নভেম্বরের চেতনা ভবিষ্যতে অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করবে: চট্টগ্রামে জাসাসের আলোচনা সভায় রুহুল কবীর রিজভী ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যই বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছিল: চট্টগ্রামে জাসাসের আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী ও ১৩ মামলার আসামি শাহ আলমসহ ০৩ (তিন) জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের গোয়ালপাড়া সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির পূর্ব কোয়ারপুর দূর্গা মন্দির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ক্রেতা নেই, নেই বিক্রেতা সরকারী ২৫ কোটি টাকা জলে ​বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী (র.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ​ কিউসিবিএসডি-তে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে নৌবাহিনী সদস্যদের কাতার গমন

১৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি তথ্য সংশোধন, আর্থিক হিসাবে বড় পরিবর্তন

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪
  • ৩৩৬ বার ভিউ

বিশেষ সংবাদ:

১৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি তথ্য সংশোধন, আর্থিক হিসাবে বড় পরিবর্তন।
এটি বাংলাদেশের জন্য একটি সুখবর হতে পারত, কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও তা নয়। কারণ দেশের অর্থনীতির অবস্থা অপরিবর্তিত আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি তথ্যের গরমিল সংশোধনের পর আর্থিক হিসাব উদ্বৃত্ত হয়েছে। এক বছরের বেশি সময় পর দেশের আর্থিক হিসাব উদ্বৃত্ত হলো।

এটি বাংলাদেশের জন্য একটি সুখবর হতে পারত, কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও তা নয়। কারণ দেশের অর্থনীতির অবস্থা অপরিবর্তিত আছে এবং বাংলাদেশ বাহ্যিক অ্যাকাউন্ট বা বাকি বিশ্বের সঙ্গে লেনদেন করতে বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের সঙ্গে লড়াই করছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৪৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু, গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সংশোধনের পর তা ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কমে ৩৩ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ফলে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের (বিওপি) মূল উপাদান আর্থিক হিসাব উদ্বৃত্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে আর্থিক হিসাব দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারে, যা এক বছরের বেশি সময় ধরে ঘাটতিতে ছিল।

অন্যদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে চলতি হিসাব ঘাটতিতে নেমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি হিসাবের ঘাটতি ৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, হিসাব পদ্ধতি পরিবর্তনের কারণে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, ‘ইপিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্যের যে ব্যবধান ছিল তা সমন্বয় করা হয়েছে। এ কারণে চলতি হিসাবের ব্যালেন্স ঘাটতি এবং আর্থিক হিসাব উদ্বৃত্ত হয়েছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইপিবির রপ্তানি আয়ের তথ্যে ১২ বিলিয়ন ডলার গরমিল
দীর্ঘ সময় ধরে ইপিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি তথ্যের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যবধান ছিল। এই তথ্য সমন্বয়ের আগে বেশি চালান দেখানো হয়েছিল, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই প্রেক্ষাপটে গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থ পাচার হতে পারে।

এতে বলা হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে আর্থিক হিসাবে বহিঃপ্রবাহ ছিল জিডিপির শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ, যেখানে আন্তঃপ্রবাহের গড় জিডিপির প্রায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবাহ, যা অর্থপাচারের ইঙ্গিত দেয়।

গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, শুল্ক বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে ইপিবি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। পদ্ধতিগত কারণে শুল্ক বিভাগ অনেক ক্ষেত্রে একই রপ্তানির তথ্য একাধিকবার বিবেচনায় নেয়, যা ডাবল বা ট্রিপল কাউন্টিং নামে পরিচিত।

তারা বলেন, কাস্টমস থেকে চালান প্রত্যাখ্যান করা হলেও রপ্তানির তথ্য তৈরির সময় সেগুলো বিবেচনা করা হয়। ফলে ইপিবির তথ্যে রপ্তানির প্রকৃত বিক্রির চেয়ে বেশি রপ্তানি দেখা যায়।

আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির সুপারিশ অনুযায়ী এই ব্যবধান সংশোধন করা হয়েছে।

সংশোধনের পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিলে রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৩৩ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য গত মে মাসে ইপিবির তথ্য প্রকাশের সময় তা ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে ৪৭ দশমিক ৪৭ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছিল।

দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে আলাপকালে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের সংশোধনটি হিসাব পদ্ধতির পরিবর্তনের ফল।

তিনি বলেন, ‘হিসাব পদ্ধতির পরিবর্তনের কারণে আর্থিক হিসাব উদ্বৃত্ত হয়েছে। তবে এটি অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি বোঝায় না।’

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যাপক পতনের কারণে গত দুই বছর ধরে অর্থনৈতিক সংকটে আছে বাংলাদেশ।

এছাড়া বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ও ডলারের বিপরীতে টাকার এক তৃতীয়াংশ দরপতন হয়েছে।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমতে সময় লাগবে।

তথ্যসূত্র-দ্য ডেইলি স্টার বাংলা

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com