বিশেষ সংবাদ :
নজরুল ইসলাম লিখন, রূপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জে সর্বস্তরের উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে গঠিত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ইত্তেহাদুল উলামা রূপগঞ্জের উদ্যোগে ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ অক্টোবর বুধবার রাতে উপজেলার ভুলতা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আল্লামা মামুনুল হক মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার আগেই লাখো মানুষের ঢল নামে সমাবেশস্থলে। ইত্তেহাদুল উলামা রূপগঞ্জের উপদেষ্টা ও জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম রূপগঞ্জের মহাপরিচালক শাইখুল হাদিস আল্লামা হাসান জামিলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা খলিল আহমাদ ক্বাসেমী আল কুরাইশী। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়ার শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক। এ সময় বক্তব্য রাখেন আল্লামা শায়খ আব্দুল আউয়াল, আল্লামা উবায়দুর রহমান খান নদভী, মুফতি হাবিবুর রহমান আদিব, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আল মোবারক, শাইখ মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মুফতি রেজাউল করিম আবরার, ইত্তেহাদুল উলামা রূপগঞ্জের সভাপতি মাওলানা জিয়াউর রহমান আমজাদী প্রমুখ। মহাসম্মেলনে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন।
সম্মেলনে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা খলিল আহমাদ ক্বাসেমী আল কুরাইশী বলেন, মুসলমানদের পূজায় যাওয়া হারাম। তিনি বলেন, এটি এক ধরনে আত্মপ্রচারণার শামিল। একজন মুসলিমের চিন্তা অনেক উদার থাকবে, সবাইকে তিনি আপনভাবে রাখবেন, তার মানে এই না যে, আপনি অতি উদার সাজতে গিয়ে পূজায় চলে যাবেন।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন হাদিস থেকে জানা যায়, যদি কোনো জাতির দল ভারি করতে তাদের ভেতরে চলে যায়, তাহলে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এটা যাওয়া উচিৎ নয়। তাছাড়া শিরক যেখানে হয়, সেখানে আল্লাহর লানত বর্ষিত হয়। সেখানে যাওয়া মানে নিজেকে লানতের জায়গায় নিয়ে যাওয়া। এটা সমস্ত ওলামা কেরামের ঐকমত্যে না জায়েজ ও গোনাহর কাজ। অর্থাৎ অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সৌহার্দ্য ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণ বজায় রাখা গেলেও ধর্মীয় উপাসনা বা শিরকপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ মুসলমানদের জন্য জায়েজ না। পরে অর্ধশত শিক্ষার্থীকে অতিথিরা পাগড়ি পরিধান করান।