বিশেষ সংবাদ :
(নিজস্ব প্রতিবেদক: এম এ হান্নান)
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পানগুছি নদীর ভাঙন রূপ নিয়েছে এক ভয়াল দানবে। নদীর তীব্র ভাঙনের মুখে পড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ আজ ঘরবাড়ি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বহু বসতভিটা, আবাদি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বর্তমানে চরম আতঙ্কে ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন নদীপারের সাধারণ মানুষ।
সর্বস্ব হারাচ্ছে নদীর তীরের মানুষ রাত কাটে ভয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানগুছি নদীর অব্যাহত ভাঙনে গত কয়েক দিনে নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বসতবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের জমিতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ভাঙনের তীব্রতা দিন দিন আরও বাড়ছে। নদীপারের মানুষের চোখে এখন কেবলই হারানোর আতঙ্ক আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা।
ঝুঁকিতে জনপদ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাবারইখালীথেকে পাঞ্চকরন পুযন্ত
ভাঙনের কবলে পড়ে এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলা বা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ না নিলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে একাধিক জনপদ ও গ্রামীণ অবকাঠামো।
দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও পদক্ষেপ দাবী ভাঙ্গোন কবলিত বসতিদের।
ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে এবং নদীভাঙনের স্থায়ী প্রতিকার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। পানগুছি নদীর ভাঙন থেকে নদীপারের মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের উর্ধ্বতন মহলের দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।