1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫০
সংবাদ শিরোনাম:
বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণী অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বে এমপি সাঈদ আল নোমানের সংসদীয় ও কূটনৈতিক সফর রাজশাহী মহানগরীর সকল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও থানার জুনিয়র সেরেস্তার কনস্টেবলদের সঙ্গে আরএমপি পুলিশ কমিশনারের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে ঘরে ঘরে মাদক ব্যবসায়ি ঃ অসহায় সাধারণ মানুষঃচলে প্রশাসণের লোক দেখানো অভিযান রূপগঞ্জে সরকারি ৩৬১বিঘা জমি আবাসন প্রকল্পের নামে ইজারা নেওয়ার পাঁয়তারার প্রতিবাদে মানববন্ধন সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কৃষকের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ধানের ক্রয়মূল্য বাড়িয়ে আমন মৌসুমে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান ও সাড়ে ৫ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করবে সরকার- খাদ্যমন্ত্রী আশাশুনি থানাকে দালাল ও হয়রানিমুক্ত করার প্রত্যয় ওসি শাহিদুর রহমানের জিয়াউর রহমানই ০৭ই নভেম্বর এদেশের অরক্ষিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার, কুমিল্লার অংশগ্রহণ

শিশু স্বাধীন হত্যার বিচার কাজ শুরু

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৯৫ বার ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নে বালু নদী থেকে উদ্ধার করা শিশু ওসমান গণি স্বাধীনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়। এ সময় শিশুর বাবা শাহিনুর রহমান, মা উম্মেহানি মুন্নি ও দাদা রেজাউল আলম উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের অভিযোগ, নামমাত্র মূল্যে বসতভিটা লিখে না দেওয়ায় একই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও রংধনু গ্রুপের মালিক রফিকুল ইসলাম এবং তাঁর ভাই মিজানুর রহমানসহ তাঁদের লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তাঁরা।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিশু স্বাধীনের পরিবারের ভাষ্য, হত্যার পর শিশুটির মরদেহ যাতে শনাক্ত করা না যায়, এ জন্য তার মুখ থেঁতলে অ্যাসিডে শরীর ঝলসে দেওয়া হয়। গুম করতে লাশ ফেলে দেওয়া হয় বালু নদীতে। পরে পরনের প্যান্ট দেখে স্বজনরা লাশটি স্বাধীনের বলে শনাক্ত করে।

গত ১ ডিসেম্বর নিজবাড়ি থেকে স্বাধীন নিখোঁজ হয়। ৪ ডিসেম্বর নৌ পুলিশের সদস্যরা ইউনিয়নের নাওড়া বাজারের পাশে সেতুর নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন।

স্বাধীনের বাবা শাহিনুর বলেন, ‘আমার সন্তানের হত্যাকারী আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও রংধনু গ্রুপের মালিক রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই মিজানুর রহমান। তারা এত প্রভাবশালী যে সন্তানকে কবর দেওয়ার পর থেকে আমরা বাড়িতে থাকতে পারি না।

’
শাহিনুর বলেন, ‘রফিক এলাকায় প্রভাবশালী। এ ঘটনায় হত্যার বদলে অপমৃত্যুর মামলা নিতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশকে তিনি প্রভাবিত করেন। হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

শাহিনুরের ভাষ্য, সন্তানের হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বললে মেরে ফেলা হবে বলে রফিক হুমকি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘বাড়িতে তারা পাহারা বসিয়েছে।

জীবন বাঁচাতে বাড়ি থেকে আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি। সন্তান হত্যার বিচার পেতে আমরা মামলাও করতে পারিনি। থানা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা না দিয়ে অপমৃত্যুর মামলা করার পরামর্শ দিয়েছে।’
হত্যার কারণ প্রসঙ্গে শাহিনুর বলেন, ‘রফিকুল ইসলাম দুই মাস আগে আমাদের বাড়ি নামমাত্র দামে কিনতে তাঁর বোনকে পাঠান। সঙ্গে আরেকজন মহিলাও ছিলেন। বাড়িটি রফিকুল কিনতে চান বলে তাঁরা জানালে আমার বাবা রেজাউল করিম বাধা দেন। বাড়ি বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় একাধিকবার আমাদের বাড়িতে তাঁরা হামলা চালিয়েছেন। একটি মুদি দোকানও বন্ধ করে দিয়েছেন। এর পরও আমরা বাড়িটি বিক্রি করতে রাজি হইনি।’

শাহিনুর বলেন, ‘আমার সন্তানকে হত্যার এক সপ্তাহ আগে রফিকুলের ভাই মিজানুর রহমান উচিত শিক্ষা দেবেন বলে বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যান। ঠিক এক সপ্তাহ পর আমার সন্তানটি নিখোঁজ হয়। এরপর আমরা স্বাধীনের বীভৎস লাশ পাই। রফিকুল ইসলাম আমার এই জায়গার জন্য এমন জঘন্য কাজ করবেন, সেটা বুঝতে পারলে অনেক আগেই বাড়িটা দিয়ে দিতাম।’

স্বাধীনের বাবা বলেন, “ময়নাতদন্ত শেষে সন্তানের লাশ বাড়ি নিয়ে এসে দেখি রফিকুলের লোকজন ‘হুজুর’ নিয়ে অপেক্ষা করছে। বাড়িতে গাড়ি আসার পর তারা স্বাধীনের কাছে আর আমাদের যেতে দেয়নি। আমার সন্তানের মরদেহটাও শেষবারের মতো কাউকে দেখতে দেয়নি। রফিকুল ইসলামের নির্দেশে পরিবারের অনুমতি না নিয়েই তারা রাতের অন্ধকারে আমার শিশুটিকে কবর দেয়।”

শিশুটির দাদা রেজাউল করিমও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। উপস্থিত স্বজনরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে গত ১৫ ই ডিসেম্বার । আজ আদালত ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেন পি.বি. আইকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com