বিশেষ প্রতিবেদন :
৮ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর জেনিভা
১৪ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর তুরস্ক
ও ১৬ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর ব্রাসেল সফর করেন।
মানবাধিকার, জলবায়ু কূটনীতি, ই-সংসদীয় আধুনিকায়ন ও জননীতি গবেষণায় আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা
আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী সংলাপ, সংসদীয় কূটনীতি ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। মানবাধিকার সুরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার, ই-সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জননীতি প্রণয়নের বৈশ্বিক আলোচনায় তাঁর এ সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ।
তাঁর আন্তর্জাতিক সফরসূচিতে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (IPU) আয়োজিত গ্লোবাল পার্লামেন্টারি কনফারেন্স অন হিউম্যান রাইটস, তুরস্কের আন্তালিয়ায় জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন COP31 এবং বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে World e-Parliament Conference। এসব আন্তর্জাতিক আয়োজন মানবাধিকার, জলবায়ু সহযোগিতা, সংসদীয় কার্যক্রমের ডিজিটাল রূপান্তর ও বৈশ্বিক নীতিগত সংলাপে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
মানবাধিকার সম্মেলনে গণতান্ত্রিক জবাবদিহি, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সংসদের ভূমিকা; COP31-এ জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার; এবং World e-Parliament Conference-এ প্রযুক্তিনির্ভর সংসদীয় কার্যক্রম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে।
ই-গভর্নেন্স, পাবলিক পলিসি ও সোশ্যাল পলিসি নিয়ে সাঈদ আল নোমানের গবেষণামূলক আগ্রহ তাঁর আন্তর্জাতিক সংসদীয় সম্পৃক্ততাকে আরও বিস্তৃত মাত্রা দিয়েছে। ডিজিটাল রাষ্ট্র পরিচালনা, কার্যকর জননীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণী সক্ষমতা উন্নয়নে সম্ভাবনাময় ভূমিকা রাখতে পারে।
সংসদীয় কূটনীতি রাষ্ট্রীয় কূটনীতির পরিপূরক হিসেবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা ও নীতিগত সংলাপ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ প্রেক্ষাপটে সাঈদ আল নোমানের আন্তর্জাতিক সংসদীয় ও কূটনৈতিক সফর বৈশ্বিক পরিসরে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ তুলে ধরা, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার এবং সংসদীয় কূটনীতির বিকাশে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।