1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
‘ভাষা আন্দোলনের মূল স্পিরিট হলো ন্যায় ও ন্যায্যতাকে প্রতিষ্ঠা করা’ শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় চবি উপাচার্য ৭১ থেকে ২৪, একুশের চেতনা প্রতিটি গণআন্দোলনের প্রেরণা – মজিবুর রহমান মঞ্জু কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অমর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিএমপি কমিশনার চা বিক্রেতা শারমিনের পাশে তারেক রহমান ছিনতাইকৃত ৫ ভরি ১৫ আনা স্বর্ণালংকার ও স্বর্ণ বিক্রয়ের নগদ ২,৫০,০০০/- টাকা উদ্ধারসহ ০২(দুই) আসামী গ্রেফতার রমজান উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সিএমপিতে পুলিশসহ অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সশস্ত্র বাহিনী প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের

‘ভাষা আন্দোলনের মূল স্পিরিট হলো ন্যায় ও ন্যায্যতাকে প্রতিষ্ঠা করা’ শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় চবি উপাচার্য

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেছেন, ভাষা আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল ‘সর্বস্তরে বাংলা ভাষার চালু করতে হবে’। আমরা সেটা এত বছরেও বাস্তবায়ন করতে পারিনি। ভাষা আন্দোলনের মূল স্পিরিট হলো অন্যায়কে মেনে না নিয়ে ন্যায় ও ন্যায্যতাকে প্রতিষ্ঠা করা। অন্যায়কে রুখে দেওয়া। সেই স্পিরিট আমরা ধরে রাখতে পারিনি। ভাষা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ও থিম আমরা পূরণ করতে পারিনি। এজন্য উপাচার্য ভাষা শহিদদের প্রতি ক্ষমা চান এবং মাতৃভাষার প্রতি সম্মান রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান করেন। তিনি বলেন, আমাদের চারপাশে বিদেশী ভাষার চর্চা বেড়েছে। এটা দোষের কিছু না, কিন্তু নিজের মাতৃভাষাকে সমভাবে প্রাধান্য দিতে হবে। এক্ষেত্রে অনেক সময় ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে।

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বেলা ১১.৩০টায় চবি উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মহান ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতে উপাচার্য সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। উপাচার্য বলেন, কাকরাইলে আমাদের একটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা গবেষণা কেন্দ্র করা হয়েছে। কিন্তু এটির কার্যক্রমে আমি সন্তুষ্ট না। তিনি বলেন, আজ সারা বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু অনেকেই জানেন না কেন ভাষা দিবস পালন করা হচ্ছে। এজন্য তিনি বর্তমান সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন দূতাবাসসহ সকল প্রতিষ্ঠানে ইউনেস্কো স্বীকৃতপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাকে সর্বস্তরে ব্যবহারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা দরকার। উপাচার্য আরও বলেন, আমরা ভাষাকে প্রতিনিয়ত বিকৃত করছি। উপাচার্য তার বক্তৃতায় মাতৃভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠায় জীবন উৎসর্গকারী ভাষা শহিদসহ সকল শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও আত্মার শান্তি কামনা করেন। তিনি বলেন, একুশের চেতনাকে আমাদের অন্তরে গভীরভাবে ধারণ করে মাতৃভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারকেও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। উপাচার্য বলেন, চীন, জাপান, জার্মানীসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলো তাদের নিজস্ব ভাষায় সব কিছু করছে। উন্নত দেশগুলো ভাষাকে সফট পাওয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা মাতৃভাষায় পড়ালেখা করেন। এসব দেশগুলোর মানুষ যদি মাতৃভাষায় লেখাপড়া করে আমাদের চেয়ে অনেক উন্নতি করতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারবো না! তিনি বলেন, শহিদরা আমাদের শিখিয়েছে ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো অধিকার আদায় করা সম্ভব। আমরা এক্যবদ্ধ থাকলে গণতান্ত্রিক পথচলা মসৃণ হবে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, মাতৃভাষা কেন্দ্রীক যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং এম্ব্যাসিগুলোসহ সকল ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস সেন্টার প্রতিষ্ঠা হলে চীনা ভাষা শিখার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কথা তুলে ধরেন এবং পাশাপাশি বাংলা ভাষাকে চীনাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ১৯৫২ সাল থেকে এ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহিদদের প্রতি প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আত্মার শান্তি কামনা করেন। তিনি বলেন, পৃথিবীতে সাত হাজারের অধিক ভাষা রয়েছে। এর মধ্যে বাংলা ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। তিনি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে দূতাবাসগুলোতে বাংলা ভাষার প্রচারণা করা আহ্বান জানান সরকারের প্রতি। যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ বাংলা ভাষা শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। বাংলাদেশের সকল জাতিগোষ্ঠির ভাষাসমূহ সংরক্ষণের আহ্বান জানান তিনি। তিনি আন্তর্জাতিক অবস্থান তৈরি করার জন্য বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য ভাষা শেখার আহ্বান জানান।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন সকল ভাষা শহিদ, ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং পরবর্তী ৯০ ও ২৪ গণঅভ্যূত্থানে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের পর থেকে বাঙালি জাতি বাঙালি জাতীয়তাবাদকে সামনে রেখে এ বাংলাদেশকে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতিতে রুপান্তরিত করার জন্য আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম বলবৎ রয়েছে। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আমাদের জাতীয় ঐক্য দরকার। এটা সব সময় আমরা বললেও বাস্তবে দেখি না। তিনি বলেন, সব দুর্বল শ্রেণির ওপর শাসকগোষ্ঠি তাদের ভাষা চাপিয়ে দেয়। যার প্রেক্ষিতে ভাষা আন্দোলন হয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী সমাজে কেউ ইংরেজি বলতে পারলে সম্মান করা হবে এবং বাংলা পারলে অবজ্ঞা করা হবে, এ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, ভাষা দিবস আমাদের দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া শিখায়। সকল জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চর্চার পরামর্শ দেন।

বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পালিত হয়েছে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এদিন সকাল ১০.৩০টায় চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন চবি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা-শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চবি শিক্ষক সমিতি, চাকসুর ভিপি, জিএস ও এজিএস এর নেতৃত্বে চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, হলসমূহের প্রভোস্ট ও আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগীয় সভাপতি ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ, অফিসার সমিতি, চবি ক্লাব (ক্যাম্পাস), চবি মহিলা সংসদ, সমন্বয় কর্মকর্তা বিএনসিসি, চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়ন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনসমূহ পুস্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা শহিদদের স্মরণে উপাচার্যের নেতৃত্বে চবি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শোক র‌্যালি শুরু হয়ে চবি প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। অতঃপর চবি উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চবি প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ আল-আমীন অনুষ্ঠান আয়োজকবৃন্দসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, চবি সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হাসমত আলী, চবি অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের প্রভোস্ট জনাব এ.জি.এম নিয়াজ উদ্দিন, চবি পদার্থবিদ্যা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, চবি অফিসার সমিতির সভাপতি রশিদুল হায়দার জাবেদ, চবি ক্লাব (ক্যাম্পাস) এর সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব, চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, চবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ শুভ্র ও চবি কর্মচারী সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ আমির হোসেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন চবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন, পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন চবি সংস্কৃত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাজপতি দাশ, পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন চবি পালি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাসনানন্দ বড়ুয়া রুপন এবং পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করেন চবি ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা পিংকি দারিং। অনুষ্ঠানে ভাষা শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন চবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, হলসমূহের প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, পরিচালক, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা, চবি গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক, চাকসু, হল ও হোস্টেল সংসদের প্রতিনিধিবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, চবি সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিএনসিসির ক্যাডেট, শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন সংগঠন ও ফোরামের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়াও কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফজরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদে ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্ব স্ব উপাসনালয়ে শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়। চবি প্রশাসনিক ভবন ও হলসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com