বিশেষ প্রতিবেদন :
সিএমপির ডিবি (বন্দর) বিভাগের অভিযানে আমদানীকৃত ক্রোকারিজ পণ্য আত্মসাৎ মামলার মূলহোতাসহ গ্রেফতার ০২ (দুই) জন, ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য ও গাড়ি উদ্ধার।
বাদী এজাহার দায়ের করেন যে, আসামি মোঃ নীরব চৌধুরী প্রকাশ সাকিব (৩৬) গাড়ির ড্রাইভার হিসেবে দায়িত্বে থেকে গাড়িতে লোডকৃত পণ্য বন্দর থানাধীন চট্টগ্রাম বন্দর হতে আমদানিকারকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত (বাহক) ছিলেন। চালানে বর্ণিত মালামালের মধ্যে ৯৪ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য আত্মসাৎ করেন, যার মূল্য আনুমানিক ৪০,০০,০০০/- (চল্লিশ লক্ষ) টাকা। আসামি মোঃ নীরব চৌধুরী প্রকাশ সাকিব মালামাল ঢাকার আমদানিকারকের ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে না দিয়ে তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের সহায়তায় পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে গত ০৫/০৫/২০২৬ ইং তারিখ রাত অনুমান ১০:৩০ ঘটিকা হতে ০৬/০৫/২০২৬ ইং তারিখ রাত অনুমান ০১:৩০ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে আত্মসাৎ করেন। উক্ত ঘটনায় বন্দর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়।
এ প্রেক্ষিতে বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব কাজী মোঃ আব্দুর রহিম মহোদয়ের নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নজরুল ইসলাম, সঙ্গীয় এসআই জয়নাল আবেদীন অন্যান্য অফিসার ফোর্সসহ অদ্য ১৩/০৫/২০২৬ ইং তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর পাহাড়তলী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ নীরব চৌধুরী প্রকাশ সাকিব (২৯)-কে গ্রেফতার করেন।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক মহানগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে আত্মসাৎকৃত ক্রোকারিজ পণ্যের মধ্যে হতে ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান (রেজিস্ট্রেশন নং- ঢাকা মেট্রো-ট ১৩-০৩৯৫) ও একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার (রেজিস্ট্রেশন নং- চট্ট মেট্রো-ঘ ১১-৪৭৯৫) উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বন্দর থানার মামলা নং-১৪, তারিখ-১১/০৫/২০২৬ ইং, ধারা-৪০৭/৪২০/১০৯ পেনাল কোড মূলে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।