1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫০
সংবাদ শিরোনাম:
ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির পূর্ব কোয়ারপুর দূর্গা মন্দির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ক্রেতা নেই, নেই বিক্রেতা সরকারী ২৫ কোটি টাকা জলে ​বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী (র.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ​ কিউসিবিএসডি-তে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে নৌবাহিনী সদস্যদের কাতার গমন আন্ত:বাহিনী ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লেনদেনে ব্যবহৃত এজেন্ট সিম ভাড়া দেওয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি ৪৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের নবযোগদানকৃত সহকারী কমিশনারদের সাথে উম্মুক্ত সেশনে সিএমপি কমিশনার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যব্স্থাপনায় ‘আন্তঃবাহিনী বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’ শুরু ঢাকা বাইপাস সড়কের রূপগঞ্জে আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ

গোয়ালডিহি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজে নিয়োগ ও এমপিও নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৪ বার ভিউ

বিশেষ সংবাদ :

(মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি)

গোয়ালডিহি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজে নিয়োগ ও এমপিও নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, এমপিওভুক্তি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন কলেজটির টাইপিং ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. রেয়াজ উদ্দিন শাহ। একই বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশও পাঠানো হয়েছে।অভিযোগকারী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে মো. রেয়াজ উদ্দিন শাহ দাবি করেন, ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে তিনি টাইপিং ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে কলেজে যোগদান করেন।তাঁর অভিযোগ, নিয়োগের সময় তাঁর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কলেজে দায়িত্ব পালন করলেও এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি এবং সরকারি বেতন-ভাতাও পাননি বলে দাবি করেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, কলেজটি ২০১০ সালে জিওভুক্ত হলেও পরে তা বাতিল হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের আদেশে পুনর্বহাল হয়।অভিযোগকারীর দাবি, এই সময়ের মধ্যে কিছু শিক্ষক ও কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন নথিতে অসঙ্গতি সৃষ্টি করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৩ সালের নিয়োগ-সংক্রান্ত কাগজপত্র পরিবর্তন করে ২০০৪ সালের নামে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বাছাই কমিটির নথি এবং অন্যান্য কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে তাঁর সন্দেহ।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, কয়েকজন শিক্ষকের নিয়োগের সময় তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে সময়গত অসামঞ্জস্য রয়েছে। এ ছাড়া কিছু পদে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আরেকটি অভিযোগে বলা হয়েছে, কলেজের বিভিন্ন পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, তাঁকেও বিভিন্ন সময়ে এমপিওভুক্তির আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে তাঁর পক্ষে পাঠানো একটি লিগ্যাল নোটিশে অভিযোগ করা হয়, নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির আশ্বাসের কথা বলে মোট পাঁচ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টির সমাধান অথবা অর্থ ফেরতের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাঁর আবেদনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বাছাই কমিটির নথি, শিক্ষাগত সনদ, এমপিও-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য রেকর্ড যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে গোয়ালডিহি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজের অধ্যক্ষ মো. মজিবর রহমানের সঙ্গে ০১৭১২৮১২৯৫৩ ন¤^রে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ও এমপিও সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে সেটিও তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত তথ্য অভিযোগকারী কর্তৃক দাখিল করা লিখিত অভিযোগ ও লিগ্যাল নোটিশের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা ¯^াধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তসাপেক্ষ।

তারিখ: ০৫.০৭.২০২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com