বিশেষ প্রতিবেদন :
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ৫২-এর মহান ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিক, প্রথিতযশা সিনিয়র আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বরেণ্য এ রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
মাননীয় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় এক শোক বার্তায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। এ মহান ব্যক্তির মৃত্যুশোক যাতে শোকাহত পরিবার-পরিজন ধৈর্য সহকারে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন, সেজন্য তাঁরা মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করেছেন।
শোক বার্তায় আরও বলা হয়, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার-এর এই মহাপ্রয়াণে দেশ এক দেশপ্রেমিক, প্রাজ্ঞ ও অভিভাবকসুলভ রাষ্ট্রনায়ককে হারালো, যা সমগ্র জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতি ও আইন অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা এবং মহান গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। দীর্ঘ কয়েক দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তাঁর অপরিসীম বিনয়, প্রজ্ঞা, অতুলনীয় সৌজন্যতাবোধ ও আন্তরিকতা সর্বমহলে সমাদৃত ও সম্মানিত হয়েছে। কেবল রাষ্ট্র পরিচালনায় বা বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনেই নয়, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনেও তিনি এক আদর্শবান ব্যক্তিত্বের প্রতীক ছিলেন; যার প্রতিফলন তাঁর সুযোগ্য সন্তানদের মাঝেও প্রস্ফুটিত হয়েছে। শোকবার্তায় এই মহান দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্বের পরিবার, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করা হয়।