1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫০
সংবাদ শিরোনাম:
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট অন্তর্ভুক্তির দাবিতে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মোংলায় মানববন্ধন এসপির নেতৃত্বে রূপগঞ্জের পূর্বাচল ৩০০ ফিটে চেকপোস্ট, হুইস্কি-সামুরাইসহ আটক ৬ রূপগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৫ জন আটক টেলিগ্রামভিত্তিক সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্রের ০২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি শাহবাগের ফুটপাত থেকে অবশেষে নিজের ঘরে ফিরলেন গোলাপি বেগম, বাড়ি উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুটিং প্রতিযোগিতা-২০২৬ সমাপ্ত পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম রূপগঞ্জের নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিবে পদায়ন

বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট অন্তর্ভুক্তির দাবিতে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ বার ভিউ

বিশেষ সংবাদ :

(বাগেরহাট প্রতিনিধি)

বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাগেরহাট সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা গ্রামের মীর মোশারেফ আলী। আজ সকাল ১১:৩০ মিনিটে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মীর মোশারেফ আলী (পিতা: মৃত মীর আহাম্মদ আলী) জানান, ১৯৭১ সালে তিনি ইপিআরে (EPR) কর্মরত থাকা অবস্থায় ঢাকা পিলখানায় নিয়োজিত ছিলেন। ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পর তাদের মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল এডুকেশন কলেজে বন্দি রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে উদ্ধার করে তাঁকে লৌহজং থানায় পোস্টিং দেওয়া হলে, একদিন গভীর রাতে তিনি একটি এলএমজি (LMG), একটি ৩০৩ রাইফেল এবং গুলিসহ সেখান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
​তিনি জানান, পালিয়ে আসার পর স্থানীয় একজনের সহায়তায় তিনি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. ইকবাল হোসেনের নিকট পৌঁছান এবং সংগৃহীত অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন। পরবর্তীতে তিনি ‘গোয়ালিবান্ধি অপারেশন’সহ একাধিক বড় অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ ছাড়া মুন্সিগঞ্জের দিঘীরপাড় ব্রাহ্মণগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পর ভারত থেকে এমপি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন দেশে ফিরলে ৩০০ মুক্তিযোদ্ধার সাব-কমান্ডার হিসেবে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন মীর মোশারেফ আলী।
​সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিডিআরে পুনরায় যোগদান এবং পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রামে (রাঙ্গামাটি) ১০-১২ বছর শান্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়োজিত থাকায় গেজেটের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর নিতে পারেননি। তবে বিগত প্রায় ২০ বছর ধরে চারবার যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হওয়া এবং ‘ক’ গ্রুপে নাম থাকা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) ফাইল আটকে থাকায় তাঁর নাম গেজেটে প্রকাশিত হয়নি।
​তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাঁর সকল কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মন্তব্য করেছিলেন, “মোশারেফ সাহেবের মতো এমন নিরেট প্রমাণাদি অন্য কারও নাই।”
​জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি ও গেজেট প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানান মীর মোশারেফ আলী।
​সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।##

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com