1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫০
সংবাদ শিরোনাম:
আশাশুনির বড়দল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলীম মোল্যা কে গ্রেফতার করেছেন আজ সন্ধ্যায় আশাশুনি থানা পুলিশ মোংলায় বাঙ্গালী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু, ঢাকায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বালিয়াকান্দিতে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ​ আশাশুনিতে ঝড়ে গৃহহীন ৫ পরিবার: পাশে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গফুর সানা ‘আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার- বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ – প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে পুলিশকে জনআস্থা অর্জন করতে হবে; অপরাধে যুক্ত হলে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি ফৌজদারি ব্যবস্থা- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের সীমানা নির্ধারণসহ বিভিন্ন ইসুতে ১৪ গ্রামের মানুষের বিশাল আলোচনা অনুষ্ঠিত পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বাগেরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু, ঢাকায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’। দুই দেশের শিক্ষা বিনিময়ের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হয় ইনস্টিটিউটটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট। ২০২৫ সালের অক্টোবরে চাইনিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন ফাউন্ডেশনের অনুমোদন পাওয়ার পর একই বছরের নভেম্বরে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ কনফারেন্স’-এ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের সিপিসি ইয়ুননান প্রাদেশিক কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য চাও চুনমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: সফিকুল ইসলাম, ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান ছাওছি, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহসহ বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চীনা প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত এটি চতুর্থ কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এবং দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত প্রথম কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বক্তব্যে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজকের দিনটি আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এক স্মরণীয় মাইলফলক, যা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং সুদৃঢ় বন্ধুত্বের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট কেবল একটি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র নয়; এটি মূলত দুই দেশের মানুষ, সংস্কৃতি ও চিন্তাধারাকে যুক্ত করার একটি শক্তিশালী সেতু হিসেবে কাজ করবে।

মাননীয় উপাচার্য বলেন, এই ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য চীনা ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও আধুনিক উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই গুণগত মানসম্পন্ন ভাষা শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময় আমাদের তরুণ প্রজন্মের একাডেমিক গতিশীলতা, আন্তর্জাতিক গবেষণা, পর্যটন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এই উদ্যােগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান ছাওছি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও দক্ষ শিক্ষক পাঠানোর পাশাপাশি বাংলাদেশি তরুণদের চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে সহযোগিতা করবে তার বিশ্ববিদ্যালয়। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট দুই দেশের তরুণদের চীনা ভাষা শেখার পাশাপাশি পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চাও চুনমিন বলেন, ইয়ুননান প্রদেশ কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমে ধারাবাহিকভাবে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে দুই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতার ভিত্তিতে ইনস্টিটিউটটিকে আরও সমৃদ্ধভাবে গড়ে তুলতে সহায়তা করা হবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে নতুন যুগে বাংলাদেশ-চীন অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় গঠনে আরও অবদান রাখা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন আশা প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট নতুন উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যও দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা সম্মিলিতভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের নামফলক উন্মোচন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিল নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশনায় ঐতিহ্যবাহী সিংহনৃত্য এবং চীনের মার্শাল আর্ট ‘দ্য উশু স্পিরিট অব চায়না’ দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি বিকেএসপির পরিবেশনায় ‘দ্য রিদমস অব বাংলাদেশ’ এবং ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে বাংলা গান পরিবেশিত হয়।

দুই দেশের শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের এসব পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে ফুটে ওঠে বাংলাদেশ ও চীনের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের চিত্র।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু বাংলাদেশ-চীন শিক্ষা সহযোগিতাকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রথম কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি চীনা ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভাষাকে সেতু এবং সংস্কৃতিকে মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের সভ্যতার মধ্যে বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে প্রতিষ্ঠানটি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com