বিশেষ প্রতিবেদন :
গত ইং১৪/১০/২০২৬ তারিখ রাত ০২.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম ইমন (২১), পিতা—মৃত মহিউদ্দিন, মাতা—রুমা আক্তার প্রকাশ শাহানাজ আক্তার, সাং—কালামিয়া বাজার, তক্তারপুল, সৈয়দ বাপের বাড়ী, থানা—বাকলিয়া, জেলা—চট্টগ্রাম, চুরি করার উদ্দেশ্যে দোকানে প্রবেশ করলে এজাহারনামীয় ৪নং আসামি মিজানুর রহমান (২৭) ভিকটিম ইমনকে (২১) দোকানের ভিতরে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে ৪ নম্বর আসামি ভিকটিমকে কল্পলোক আবাসিকের রাত্রিকালীন পাহারারত সিকিউরিটি গার্ড ও দারোয়ান এজাহারনামীয় ১, ২, ৩ ও ৫নং আসামিদের কাছে চুরির ঘটনার বিষয়ে অবহিত করে তাদের হাতে তুলে দেন। তখন আসামিরা তাদের হাতে থাকা লাঠিসোঁটা দিয়ে ভিকটিমকে মারতে মারতে কল্পলোক মডেল মসজিদের দক্ষিণে সাজেদা ফাউন্ডেশনের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত খালি মাঠে নিয়ে যান এবং সেখানে ভিকটিমকে এলোপাতাড়ি মারধর করে হত্যা করেন। লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে আসামিরা ১৪/১০/২০২৬ খ্রিঃ সকাল ০৬.২০ ঘটিকার সময় বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিকের ২নং রোডের মুখে ৫নং ব্রিজের নিচে বেইজের ওপর ভিকটিম ইমনকে (২১) ফেলে রেখে চলে যান।
এঘটনার প্রেক্ষিতে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব মো: হাবিবুর রহমান প্রাং মহোদয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে এসআই নুরুল ইসলাম, এএসআই জমির উদ্দিন, এএসআই মোশারফ হোসেন এবং সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত আভিযানিক টিম ১৫/১০/২০২৬ তারিখ রাত ০২.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার ঘটনায় জড়িত আসামি ০১। আব্দুর রহমান জিসান (২১), পিতা—আজিজুর রহমান, মাতা—সাথী বেগম, সাং—বাস্তুহারা, ক্ষেতচর, ৩নং গলি, মফিজ ভবন, থানা—বাকলিয়া, জেলা—চট্টগ্রাম; ০২। ইয়াছিন আরাফাত (২৩), পিতা—আবুল হোসেন, মাতা—আলিমা বেগম, সাং—চকরিয়া, চরুদিপ, ৮নং ওয়ার্ড, বর্তমান—মডেল মসজিদের পশ্চিম পাশে, কল্পলোক আবাসিক, থানা—বাকলিয়া, জেলা—চট্টগ্রাম; ০৩। মোঃ হাসান (৩৩), পিতা—মৃত সিদ্দিক, মাতা—জাহানারা বেগম, সাং—কোলাগাও, থানা—পটিয়া, জেলা—চট্টগ্রাম, বর্তমান—বাস্তুহারা দোতলা মসজিদ, কোরবানের মায়ের কলোনী/তানিয়া মেম্বারের কলোনী, থানা—বাকলিয়া, জেলা—চট্টগ্রাম; ০৪। মোঃ মিজানুর রহমান (২৭), পিতা—বজলুর রহমান, মাতা—তাছনুর বেগম, সাং—সুবর্ণচর, ৪নং ওয়ার্ড, সিদ্দিক মেম্বারের দোকান, থানা—চরজব্বর, জেলা—নোয়াখালী, বর্তমানে—কল্পলোক আবাসিক, ২নং রোড, নিজাম উদ্দিনের দোকান, থানা—বাকলিয়া, জেলা—চট্টগ্রাম দেরকে গ্রেফতার করেন। এ সংক্রান্তে ভিকটিমের ফুফুর দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানার মামলা নং—১৫, তারিখ—১৫/১০/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা—৩০২/২০১/১১৪/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।