1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫০
সংবাদ শিরোনাম:
হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি বাগেরহাটে আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন নিয়ে আইনমন্ত্রীর মতবিনিময় ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে ১৫ দিন পর পর অনুষ্ঠিত হবে সমন্বয় সভা- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলা হবে- ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বহু বছর পর মোংলা বন্দর এর সিবিএ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হজরত শাহজালাল (রঃ) ও হজরত শাহ পরান (রঃ) এর মাজার জিয়ারত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলার আশাশাুনি বড়দলে টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ,একজনের মৃত্যু এবং ছেলে ও মেয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলা হবে- ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :

উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত প্রবৃদ্ধি এবং বহুমুখী রপ্তানি কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সোমবার ঢাকায় বিজয় সরণীতে নভোথিয়েটারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. তিতুমীর তাঁর বক্তব্যে তিনটি প্রধান ধাপে দেশের অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেন আর তা হচ্ছে অর্থনীতির দ্রুত পুনরুদ্ধার, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত পুনর্প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৯ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও একক পণ্যনির্ভরতা থেকে বের হয়ে বহু পণ্যের রপ্তানি নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে (Global Innovation Index) বাংলাদেশের অবস্থানের চিত্র তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অবস্থান থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো গবেষণা, বৈজ্ঞানিক পুনর্জাগরণ ও প্রযুক্তির ধারাবাহিক উন্নয়ন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত মুক্তবাজার শিল্পনীতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগসমূহ যেভাবে দেশে পোশাক খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা শ্রেণি তৈরি করেছিল, বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতায় একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ।

উদ্ভাবক ও গবেষকদের উৎসাহিত করতে ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর নীতিগত ও আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার আশ্বাস দেন। দেশে মানসম্মত গবেষণা নিশ্চিতকরণে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ‘রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন ফান্ড’ (গবেষণা ও উদ্ভাবন তহবিল) গঠনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। বেসরকারি খাত বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই তহবিলে অবদান রাখলে সরকার কর ছাড়সহ প্রয়োজনীয় রাজস্ব সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যের শেষে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দার্শনিক ভিত্তিকে সামনে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও দক্ষতার বিস্তার এবং তরুণ উদ্ভাবকদের হাত ধরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি ও মেধা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন।

দেশে তরুণদের নতুন উদ্ভাবন ও মেধা বিকশিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর নিয়মিতভাবে ‘ইনোভেশন ফেয়ার’ (উদ্ভাবনী মেলা) আয়োজন করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব।

সভাপতির বক্তব্যে সচিব বলেন, তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত ও সামাজিক উদ্ভাবনী চিন্তাগুলোকে গবেষণার মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং সফল উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার পথ সুগম করা হচ্ছে। তিনি জানান, মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন কেবল প্রদর্শনীতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতোমধ্যে বেশ কিছু উদ্ভাবন বাজারে বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণের সুযোগ পেয়েছে এবং বিদেশেও (যেমন ওমানে) রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

সচিব জানান, গত তিন দিনে ২০ টি অ্যাকাডেমিক, মিডিয়া ও পলিসি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি জানান, ৬৭১ টি আবেদন থেকে দক্ষ প্যানেল দ্বারা মূল্যায়ন ও বাছাই করে ৫০টি সেরা নিবন্ধিত উদ্ভাবনী দলকে নির্বাচিত করে মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

বিচারক প্যানেলের সিদ্ধান্তে সমাপনী দিনে সেরা ৫০ টি সেরা উদ্বোধনের মধ্য থেকে ইনোভেশন ফেয়ারে শীর্ষ দশ নির্বাচিত হয়েছে হোমপিটাল নেক্সাস, স্মার্ট হুইলচেয়ার, ফায়ারফ্লাই, ভয়েস অ্যাসিস্ট ডিভাইস, বিডি সাইবার হেল্পলাইন, ওয়াটার রিপেলেন্ট জুট ফেব্রিক , ন্যাচারাল ফাইবার পিসিবি (প্রাকৃতিক আঁশযুক্ত পিসিবি), অ্যানটেনা ফর ন্যানোস্যাট , লিকুইড ট্রি এবং সেলফ কন্টাক্টর। নির্বাচিত এই শীর্ষ দশ উদ্ভাবকের প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া মেলায় সক্রিয় ও সফল উপস্থাপনার জন্য Gazi Agriculture University, Jessor University of Science and Technology, BUBT, Khulna University, AIUB এ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। মেলায় ৭৩ টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ টির বেশি স্টল ছিল। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ বিজ্ঞানী, শিল্প উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক, তরুণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 -2026-ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com