বিশেষ সংবাদ :
(মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি)
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা ১০নং হরিরামপুর ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের অন্যতম সুবিধা ভোগী খাগড়াবন্দ গ্রামের মৃত্যু মমতাজ উদ্দিনের পুত্র শাহাবুদ্দীন শাহ এর ভুমি দৌরাত্বায় অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিকারের দাবিতে ৪টি গ্রামের সাধারন কৃষক গন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, মাননীয় সাংসদ সদস্য এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা সেটেলমেন্ট অফিসার, প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক সহ বিভিন্ন দপ্তরে গণস্বাক্ষর সম্বলিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
কর্তৃপক্ষের প্রাশসনিক ব্যবস্হা গ্রহনে ধীরগতির কারণে গণস্বাক্ষর কারী পরিবার সমুহ এলাকাবাসীকে নিয়ে শুক্রবার তিন ঘটিকায় মধ্যপাড়া – বদরগঞ্জ রাস্তায় মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে কৃষক ইদ্রিস আলী, নুর আমিন, শাহজাহান আলী আলতাফ হোসেন শাহাবুদ্দিন এর প্রতারনায় শিকার হয়ে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন বক্তারা দাবি করেন শাহাবুদ্দিন শাহ আওয়ামী লীগ আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা ভাবে এলাকা বাসীকে জিম্মি করে রেখেছিল।
বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত তার পরেও আওয়ামী লীগের দোসর কিভাবে কৃষক পরিবার গুলোকে হয়রানির সাহস পায়? প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগে জানা গেছে উপজেলার ১০নং হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া, খাগড়াবন্দ,গুড়গুড়ি, উত্তরা, গ্রামের
অভিযোগ কারিগন আর, এস ও বি,এস রেকর্ড মুলে এবং অংশীদার সুত্রে দলিল মুলে বিভিন্ন সময় শাহাবুদ্দীন শাহ এর পারিবারিক জমি ক্রয় করেন, কিন্তু শাহাবুদ্দীন শাহ আওয়ামী লীগ সভাপতি হওয়ার কারণে তার দলীয় প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে ২০০৮ সাল থেকে ৩০ ধারা চলমান সময় পর্যায়ক্রমে শতাধিক ব্যক্তির নামে সেটেলমেন্ট অফিসে আপত্তি দাখিল করে হয়রানি করেছেন। তৎকালীন সময় শাহাবুদ্দীন শাহ ক্ষমতার অপব্যবহার করে সেটেলমেন্ট অফিসারের ডান পার্শ্বের চেয়ারে বসে তাকে প্রভাবিত করতেন। তার দলীয় অবৈধ ক্ষমতার কারনে সাধারণ কৃষক গন সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট পাত্তা পেতো না। পক্ষান্তরে তিনি সেটেলমেন্ট অফিসারের সঙ্গে আতাত করে প্রতিটি কৃষকের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সেখানেই শেষ নয়, বর্তমানে আপত্তি কৃত অভিযোগ গুলোর ৩১ ধারা চলমান রয়েছে ।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকলে ও তিনি অদৃশ্য ক্ষমতা বলে একই কায়দায় নতুন করে কৃষক হয়রানিতে মেতে উঠেছেন। অসহায় কৃষক গন তার অপতৎপরতা ও দৌরাত্বায় জিম্মি হয়ে পড়েছেন। শাহাবুদ্দিন শাহ এর বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে, তিনি নারী কেলেংকারী সহ বন বিভাগে প্রভাব খাঁটি নিজেকে ” বৃক্ষ বন্ধু ” হিসাবে জাহির করে নিজ নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ডিড গ্রহন করেন। প্রয়াত মোস্তাফিজুর রহমান ভুমি প্রতিমন্ত্রী থাকা কালিন নামে বেনামে শাহাবুদ্দিন বন বিভাগের জমির অবৈধ কাগজ করে দখল নিয়েছেন । বনের প্রকৃত উপকার ভোগী দের বঞ্চিত করে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন। তিনি আওয়ামী লীগ শাসন আমলে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য থাকাকালীন অসত্য তথ্য উপস্থাপন করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ কে হয়রানি করেছিলেন ।
সেই সময় ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০১২ইং দৈনিক যুগের আলো পত্রিকায় ” চাঁদাবাজ কে নিয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা করায় জনমনে ক্ষোভ ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয় ” পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মিথ্যে চুরির মামলায় হাজতে কৃষক আল আমিন” দৈনিক প্রথম খবর ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ ঘটনায় ফুঁসে ওঠেছিল কৃষক সমাজ।তিনি জাল দলিল এবং বে- আইনি সুদ বন্ধক দলীল তৈরির ও প্রবক্তা। নিজেকে তিনি পীর হিসাবে জাহির করার অপচেষ্টা করলেও একজন ভন্ড এবং ধুরন্ধর ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এ বিষয়ে অভিযোগ কারি ওছমান ড্রাইভার, পলিপাড়ার আলতাব আলী এবং নুর আমিন জানান ক্রয়কৃত সম্পাতি দীর্ঘদিন থেকে আমরা ভোগ দখল করে আসছি, তথাপি শাহাবুদ্দিন শাহ সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট কখনো আদিয়ার কখনো বর্গাচাষী হিসাবে আমাদেরকে পরিচয় করিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে নিজেকে জমির মালিক দাবি করেন। বিষয়ে শাহাবুদ্দিন শাহ বলেন বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় দল আমাকে বহিষ্কার করেছে। এলাকা বাসীর দাবি ক্ষমতার অপব্যবহার কারী এলাকার টাউরাস হিসাবে পরিচিত শাহাবুদ্দিন শাহ এর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্হা নেওয়া উচিৎ।
তারিখ: ১৪.০৯.২০২৬