বিশেষ সংবাদ :
(বায়েজীদ ইসলাম জয় সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি)
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১ নম্বর সুকাশ ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম আজাদ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে ইউনিয়নের বোয়ালিয়া বাজারে এ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি বাজারের বিভিন্ন চায়ের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, নারী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও নাগরিক সেবার বিষয়ে তাদের মতামত শোনেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ এর আগে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করার কারণে এলাকায় তার একটি পরিচিতি রয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই তাকে সহজ-সরল, সৎ ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবুল কালাম আজাদ তার সম্ভাব্য নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে সুকাশ ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইউনিয়নের বেকার যুবক ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য মৎস্য চাষ, হাঁস-মুরগি পালন, গবাদিপশু পালন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গ্রামীণ রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা পায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদকে মানুষের সেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তি, মাদক ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ রোধ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নেও কাজ করতে চাই।”
এ সময় তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব হলো জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের কথা শোনা। তাই নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের সব মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
গণসংযোগকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুব সমাজ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।